এসি রুমের ইসলাম, টিকেট বন্দী ইসলাম।

facebook link 

“হুজুর আপনার ওয়াজ শুনতে চাই!”
“টিকেট কেটেছিস?”
“টিকেট কাটতে হবে! কত টাকা?”
“বেশিনা মাত্র একহাজার টাকা”।
“বলেন কি হুজুর! এতো টাকা কোথায় পাবো? আমি বেকার মানুষ!”
“মুখেতো বহুত বেকার বেকার ফুটাও, কিন্তু গার্ল ফ্রেন্ডরে নিয়ে চাইনিজ খাইতেতো টাকার অভাব হয়না”।
“কি বলেন হুজুর, আমার চৌদ্দগুষ্ঠি চাইনিজ রেষ্টুরেন্টের দরজা পেরোয়নি। তাছাড়া গত মাসের মেস ভাড়া বকেয়া পরে আছে, বন্ধুর থেকে ধার নিয়ে এমাসের মিলটা কোনো রকমে চালু রেখেছি”।
“হুম বুঝলাম, তুই খুবই অভাবে আছিস। এক কাজ কর, তুই বরং টিকেটের অর্ধেক দাম দে, পাঁচশো দিলেই চলবে”।
“হুজুর আমার কাছেতো টাকা নাই, মাত্র ১০টাকা আছে”।
“টাকা নাই বললেই হলো! এসির হাওয়া কি তোরে মাগনা খাওয়াবো?!”
“দেননা হুজুর, একটা টিকেটইতো! একদম পেছনের দিকে দিলেও হবে”।
“এহে! জ্বালাতন করিসনাতো। ওই দেখ, গাড়ি হাকিয়ে ছেলে মেয়েরা আসছে। ওদের কাছে টিকেট বিক্রি করে আজকে লাল হয়ে যাবো। তুই বরং এক কাজ কর, আমার ফেসবুক স্ট্যাটাসগুলো ফ্রিতে পড়ে নিস, পয়সা দিতে হবেনা!”
“তাইলে টিকেট দিবেননা?!”
“বিরক্ত করিসনাতো!”
“ঠিক আছে! আপনি ওয়াজ করতে থাকেন, আমি সিনেমা হলে গেলাম! ১০টাকা দিয়া বাংলা সিনেমা দেখি, অনেক সস্তা”।
“কি বললি! কি বললি তুই! তুই সিনেমা দেখবি?! তুইতো একটা কাফের, তোর সাথে কথা বলাতেইতো আমার গুনাহ হইছে। তুই আর কোনোদিন আমার সামনে আসবিনা। দূর হ!”

লেখাঃ এসি রুমের ইসলাম, টিকেট বন্দী ইসলাম।
© শামীম রেজা
১৯/০৬/২০১৪

Post Comment

No comments:

Post a Comment